প্রাইভেট লিমিটেড company-র ক্ষেত্রে “কোম্পানির সম্পদ” আর “মৃত সদস্যের অংশ” এক করে দেখা উচিত নয়। এই পৃষ্ঠাটি শুধু Companies আইনে অংশ হস্তান্তরের verified অংশটি বলছে।
share-এর আইনি প্রকৃতি
ধারা ৩০ সদস্যের অংশ/interest-কে অস্থাবর সম্পত্তি বলে এবং transferability-কে কোম্পানি articles-এর পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত করে।
মৃত ব্যক্তির সদস্যের আইনানুগ প্রতিনিধি
ধারা ৪০ আইনানুগ প্রতিনিধি কর্তৃক মৃত ব্যক্তির সদস্যের অংশ/interest হস্তান্তর-কে বৈধ বলে, representative কোম্পানি সদস্য না হলেও।
কোন ওয়ারিশ শেষ পর্যন্ত কত অংশ পাবেন তা এস্টেট distribution-এর প্রশ্ন; আর কোম্পানি register, articles ও হস্তান্তর দলিল/পণ্য আলাদা corporate প্রক্রিয়া।
ওয়ারিশদের প্রথম করণীয়
- সংঘবিধি দেখুন। শেয়ার হস্তান্তরের শর্ত ও সীমা কোম্পানির সংঘবিধিতেই লেখা থাকে।
- শেয়ারের রেকর্ড সংগ্রহ করুন। কতটি শেয়ার, কোন শ্রেণির, কার নামে — এই তথ্য আগে নিশ্চিত করুন।
- কোম্পানিকে লিখিতভাবে জানান। মৃত্যুর তথ্য ও ওয়ারিশদের অবস্থান লিখিতভাবে জানানো থাকলে পরে প্রমাণ থাকে।
- লভ্যাংশের হিসাব আলাদা রাখুন। মৃত্যুর আগের ও পরের প্রাপ্য এক নয়।
যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়
- শেয়ারকে জমির মতো ভাগ করার চেষ্টা করা।
- কোম্পানির রেকর্ডে নাম না তুলে বছরের পর বছর অপেক্ষা করা।
- পরিচালক পদ আর শেয়ার-মালিকানাকে এক করে ফেলা।
কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরে প্রায়ই আদালতের সনদ চাওয়া হয় — প্রক্রিয়াটি উত্তরাধিকার সনদপত্র / Succession Certificate লেখায় ব্যাখ্যা করা আছে। কোম্পানির রেকর্ডে নমিনি থাকলে তার অর্থ কী, সেটি বুঝতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নমিনি কি মালিক পড়ুন, আর শেয়ারের মূল্য শেষ পর্যন্ত কোন ধাপে ভাগে আসে তা সম্পত্তি বণ্টনের চারটি ধাপ-এ পাবেন।
শেয়ারের সংখ্যায় একটি উদাহরণ
ধরুন মৃত ব্যক্তির নামে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ১,০০০টি শেয়ার ছিল। ওয়ারিশ মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে (অংশ ১/৮, ৭/২০, ৭/২০ ও ৭/৪০) হলে উত্তরাধিকারের হিসাবে শেয়ারগুলো এভাবে ভাগ হয়:
| ওয়ারিশ | অংশ | শেয়ার | প্রতি শেয়ার ১০ টাকা লভ্যাংশে |
|---|---|---|---|
| স্ত্রী | ১/৮ | ১২৫টি | ৳ ১,২৫০ |
| প্রত্যেক ছেলে | ৭/২০ | ৩৫০টি | ৳ ৩,৫০০ |
| মেয়ে | ৭/৪০ | ১৭৫টি | ৳ ১,৭৫০ |
| মোট | ১ | ১,০০০টি | ৳ ১০,০০০ |
শেয়ারের সংখ্যা সবসময় এভাবে পূর্ণসংখ্যায় ভাগ হয় না। ভগ্নাংশ শেয়ার এলে ওয়ারিশরা নিজেদের মধ্যে কয়েকটি শেয়ার কেনাবেচা করে বা নগদে সমন্বয় করে মেলাতে পারেন — তবে কোম্পানির সংঘবিধি যে পদ্ধতি অনুমোদন করে, সেভাবেই।
কেউ শেয়ার না নিয়ে টাকা চাইলে
ধরুন মেয়ে শেয়ার রাখতে চান না, আর সবাই একমত হলেন প্রতিটি শেয়ারের ন্যায্য মূল্য ৫০০ টাকা। তাহলে তাঁর ১৭৫টি শেয়ারের মূল্য ৮৭,৫০০ টাকা। অন্য কোনো ওয়ারিশ এই টাকা দিয়ে শেয়ারগুলো নিতে পারেন, যদি সংঘবিধিতে এমন হস্তান্তরে বাধা না থাকে। মূল্য কীভাবে ঠিক হলো এবং টাকা কবে দেওয়া হবে, লিখিত রাখুন।
শেয়ার ভাগের পাশাপাশি কোম্পানিতে মৃত ব্যক্তির পাওনা বেতন, পরিচালক ভাতা বা কোম্পানিকে দেওয়া ঋণ থাকলে সেগুলো আলাদা সম্পদ — শেয়ারের মূল্যের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলবেন না। আবার তিনি কোম্পানির কাছে কোনো টাকা ধারী থাকলে সেটি দায় হিসেবে আগে মেটাতে হবে। কোম্পানির হিসাব বিভাগ থেকে মৃত্যুর তারিখের একটি লিখিত বিবরণী চেয়ে নিন।
কাগজপত্রের তালিকা
- শেয়ার সার্টিফিকেট বা শেয়ার রেজিস্টারের অনুলিপি।
- কোম্পানির সংঘবিধি ও শেয়ারহোল্ডারদের কোনো চুক্তি থাকলে তার কপি।
- মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ প্রমাণের কাগজ — কোম্পানি তাদের নিয়ম অনুযায়ী যেটি চায়।
- মৃত্যুর তারিখের আগে-পরে ঘোষিত লভ্যাংশের হিসাব।
প্রত্যেক ওয়ারিশের ভগ্নাংশ আপনার পরিবারের পুরো তালিকা দিয়ে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে বের করুন; উদাহরণের সংখ্যাগুলো শুধু বোঝানোর জন্য।