ওয়ারিশের নামে ওসিয়তের ক্ষেত্রে “জীবদ্দশায় সবাই সই করে দিলেই নিশ্চিত” বলা হানাফি source-এর সঙ্গে মেলে না।
সম্মতির সময়
Darul Ifta Deoband-এর Hanafi answer-এ বলা হয়েছে, heir-এর জন্য will অন্য ওয়ারিশ মৃত্যুর পরে অনুমোদন করলে কার্যকর হতে পারে। আরেকটি Hanafi মত স্পষ্ট করে যে legator-এর জীবদ্দশায় দেওয়া সম্মতি যথেষ্ট নয়; সম্মতি মৃত্যুর পরে দিতে হয়।
সবাই সম্মতি না দিলে
Hanafi উৎস অনুযায়ী কিছু ওয়ারিশ সম্মতি দিলে এবং অন্যরা না দিলে ওসিয়ত কেবল consenting ওয়ারিশের shares-এর সীমায় কার্যকর হতে পারে। নাবালক/non-baaligh heir-এর সম্মতি বৈধ নয়।
এই পৃষ্ঠাটি বাংলাদেশের will-registration/probate formalities নিয়ে কোনো ঢালাও বিবরণী দিচ্ছে না; এখানে কেবল Hanafi উত্তরাধিকার সম্মতি নিয়ম ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
বাস্তবে যে প্রশ্নগুলো আগে মেটাতে হয়
- যাঁর নামে ওসিয়ত, তিনি কি ওয়ারিশ? এই পাতার আলোচনা কেবল ওয়ারিশের নামে করা ওসিয়ত নিয়ে।
- সম্মতি কবে নেওয়া হয়েছে? উদ্ধৃত হানাফি মত অনুযায়ী সম্মতি ওসিয়তকারীর মৃত্যুর পরে দিতে হয়।
- কে কে সম্মতি দিলেন? সবাই না দিলে প্রভাব সীমিত থাকে সম্মতিদাতাদের অংশেই।
- কারও বয়স বা সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে কি? নাবালকের সম্মতি বৈধ ধরা হয় না।
যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়
- জীবদ্দশায় সবার সই নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে ভাবা।
- সম্মতি মৌখিক রাখা, কোনো লিখিত প্রমাণ না রাখা।
- যাঁরা সম্মতি দেননি তাঁদের অংশেও ওসিয়ত কার্যকর ধরে নেওয়া।
ওসিয়তের পরিমাণ-সীমা ও মূল শর্তগুলো ওসিয়ত কতটুকু করা যায় লেখায় বিস্তারিত দেওয়া আছে। কাউকে বেশি দিতে চাইলে কোন পথগুলো বৈধ তা মেয়েকে বেশি দিতে চাইলে বৈধ উপায় কী-এ, আর জীবদ্দশায় হস্তান্তরের সঙ্গে ওসিয়তের পার্থক্য হেবা বা দানপত্র ও উত্তরাধিকারের পার্থক্য-এ ব্যাখ্যা করা আছে।