মৃত অংশীদারের ব্যক্তিগত এস্টেট অংশ এবং partnership firm-এ partner-status এক জিনিস নয়।
ওয়ারিশ কি সরাসরি অংশীদার হন?
ধারা ৩১(১) বলছে, partnership চুক্তি এবং section 30 সাপেক্ষে, বিদ্যমান অংশীদারগণ সবার সম্মতি ছাড়া কাউকে নতুন অংশীদার করা যায় না। তাই উত্তরাধিকার প্রাপ্যতা নিজে থেকে partner-status প্রমাণ করে না।
মৃত্যুতে firm-এর কী হয়
ধারা ৪২ অনুযায়ী, partners-এর চুক্তি সাপেক্ষে অংশীদারের মৃত্যু ফার্ম dissolve করতে পারে। যদি চুক্তি অনুযায়ী ফার্ম dissolve না হয়, ধারা ৩৫ মৃত ব্যক্তির অংশীদারের এস্টেট-কে death-এর পরে firm-এর acts-এর দায় থেকে সুরক্ষা দেয়।
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হলে
ধারা ৩৭ অনুযায়ী জীবিত/continuing অংশীদারগণ মৃত ব্যক্তির অংশীদারের অংশ ব্যবহার করে ব্যবসা চালালে এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হলে, contrary চুক্তি না থাকলে এস্টেট নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে attributable profit অংশ অথবা ৬% annual interest-এর বিকল্প পেতে পারে।
সুনাম (goodwill)
ধারা ১৪ ফার্ম সম্পত্তির মধ্যে সুনাম (goodwill) অন্তর্ভুক্ত করে; dissolution-এ ধারা ৫৫ goodwill-কে assets-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান দেয়—partners-এর চুক্তি সাপেক্ষে।
ওয়ারিশদের প্রথম করণীয়
- অংশীদারি চুক্তি সংগ্রহ করুন। মৃত্যুর পর ফার্ম চলবে কি না, হিসাব কীভাবে হবে — অনেক কিছু চুক্তিতেই লেখা থাকে।
- হিসাবের তারিখ নির্দিষ্ট করুন। মৃত্যুর তারিখ পর্যন্ত হিসাব আলাদা করা না হলে পরে অঙ্ক মেলানো কঠিন।
- লিখিতভাবে দাবি জানান। মৌখিক আলোচনার বদলে লিখিত যোগাযোগ রাখলে প্রমাণ থাকে।
- ফার্মের দায় বিবেচনায় নিন। দায় মেটানোর পরই ওয়ারিশদের প্রাপ্য অঙ্ক দাঁড়ায়।
যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়
- ওয়ারিশরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অংশীদার হয়ে গেছেন ধরে নেওয়া।
- হিসাব বুঝে নেওয়ার আগেই টাকা নিয়ে নেওয়া।
- ফার্মের খাতা ও বিবরণীর অনুলিপি সংগ্রহ না করা।
ফার্মের দায় মেটানোর পরই ওয়ারিশদের প্রাপ্য অঙ্ক দাঁড়ায় — ঋণের সাধারণ নিয়ম ঋণ থাকলে সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে লেখায় আছে। প্রাপ্ত অঙ্ক কোন ধাপে ভাগে যাবে তা সম্পত্তি বণ্টনের চারটি ধাপ-এ দেখুন, আর ফার্ম বা ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা বুঝে নিতে উত্তরাধিকার সনদপত্র / Succession Certificate প্রয়োজন হতে পারে।
প্রাথমিক সূত্র
- Partnership Act, 1932 — ধারা ১৪, ৩১, ৩৫, ৪২
- Partnership Act — ধারা ৩৭
- Partnership Act — dissolution/goodwill