“বাবা বলেছিলেন অমুকের কাছে টাকা পাবেন”—এই বক্তব্য এবং আইনগতভাবে enforceable বাকিতে বিক্রির পাওনা একই জিনিস নয়।

Contract আইনের নীতি

ধারা ৩৭ অনুযায়ী চুক্তির promise প্রতিনিধিদেরকে বাধ্য করা করতে পারে, যদি চুক্তিতে contrary intention না থাকে। এর illustration-এ একটি পক্ষ মারা গেলে তার representatives performance দেয়/পেমেন্ট গ্রহণ করে—এমন উদাহরণ আছে।

তাই প্রমাণিত ও আদায়যোগ্য contractual বাকিতে বিক্রির পাওনা মৃত ব্যক্তির এস্টেট হিসাবের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে। কিন্তু claim-এর সত্যতা, অঙ্ক এবং enforceability নথি ও ঘটনা ও তথ্য দেখে ঠিক করতে হবে; এই পৃষ্ঠায় কোনো অনুমানভিত্তিক “পাওনা” এস্টেটে যোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে না।

আদায়ের আগে যা গুছিয়ে নেবেন

  • ধারের প্রমাণ। লিখিত চুক্তি, চেক, ব্যাংক হস্তান্তর বা বার্তার রেকর্ড — যা আছে সব একসঙ্গে করুন।
  • অঙ্ক ও তারিখ। কত টাকা, কবে, কোন শর্তে দেওয়া হয়েছিল তা স্পষ্ট করুন।
  • ঋণগ্রহীতার অবস্থান। তিনি স্বীকার করছেন কি না, আংশিক পরিশোধ হয়েছে কি না।
  • সবার সম্মতি। আদায়ের পদক্ষেপ একজন নিলেও টাকাটি সব অধিকারীর, তাই হিসাব আলাদা রাখুন।

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  • যিনি আদায় করলেন টাকাটি তাঁর — এই ধারণা।
  • প্রমাণ ছাড়া দীর্ঘদিন মৌখিক তাগাদা দিয়ে সময় পার করা।
  • আদায় হওয়া টাকা ভাগের হিসাবে না তোলা।

মৃত ব্যক্তির দেওয়া ধার তাঁর সম্পদ, আর তাঁর নেওয়া ধার তাঁর দায় — দ্বিতীয়টির নিয়ম ঋণ থাকলে সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে লেখায় আছে। আদায় হওয়া টাকা কোন ধাপে ভাগে যাবে তা সম্পত্তি বণ্টনের চারটি ধাপ-এ দেখুন; আদায়ের জন্য আইনি পদক্ষেপ লাগলে উত্তরাধিকার সনদপত্র / Succession Certificate প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

টাকায় একটি উদাহরণ

ধরুন বাবা এক প্রতিবেশীকে লিখিত চুক্তিতে ৩,০০,০০০ টাকা ধার দিয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে প্রতিবেশী ১,০০,০০০ টাকা ফেরত দিয়েছেন, কাগজে তার স্বাক্ষরও আছে। অর্থাৎ মৃত্যুর দিন পাওনা ২,০০,০০০ টাকা। ওয়ারিশ মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে (অংশ ১/৮, ৭/২০, ৭/২০ ও ৭/৪০) হলে আদায় হওয়া টাকা এভাবে ভাগ হবে:

ওয়ারিশঅংশপুরো ২,০০,০০০ আদায় হলেপ্রতি ৫০,০০০ টাকার কিস্তিতে
স্ত্রী১/৮৳ ২৫,০০০৳ ৬,২৫০
প্রত্যেক ছেলে৭/২০৳ ৭০,০০০৳ ১৭,৫০০
মেয়ে৭/৪০৳ ৩৫,০০০৳ ৮,৭৫০
মোট১৳ ২,০০,০০০৳ ৫০,০০০

যে ছেলে আদায়ের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন, কিস্তির টাকা তাঁর হাতে এলেও তিনি শুধু নিজের ১৭,৫০০ টাকা রাখবেন। আদায়ের খরচ (যেমন যাতায়াত বা আইনি খরচ) সবার সম্মতিতে আগে বাদ দিয়ে তারপর ভাগ করা যায়।

কেউ যদি পাওনার একটি অংশ মাফ করে দিতে চান, তিনি শুধু নিজের ভাগটুকু মাফ করতে পারেন। যেমন মেয়ে নিজের ৩৫,০০০ টাকা ছেড়ে দিলেও বাকিদের অংশ পাওনাই থাকে — অন্যদের পক্ষে মাফ করার সিদ্ধান্ত একজন নিতে পারেন না।

পাওনার রেজিস্টার

কার কাছেমূল অঙ্কফেরত পাওয়াবাকিপ্রমাণঅবস্থা
প্রতিবেশী৳ ৩,০০,০০০৳ ১,০০,০০০৳ ২,০০,০০০লিখিত চুক্তিস্বীকার করছেন
এক আত্মীয়৳ ৫০,০০০—৳ ৫০,০০০শুধু মৌখিকঅস্বীকার করছেন

দ্বিতীয় সারির মতো প্রমাণহীন বা বিতর্কিত পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত বণ্টনের অঙ্কে ধরবেন না। পরে আদায় হলে তখন একই অনুপাতে ভাগ করুন।

প্রত্যেক ওয়ারিশের ভগ্নাংশ আপনার পরিবারের পুরো তালিকা দিয়ে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে বের করুন; উদাহরণের সংখ্যাগুলো শুধু বোঝানোর জন্য।

প্রাথমিক সূত্র

সতর্কতা: প্রমাণ দুর্বল হলে আগে দাবি যাচাই করুন; অনাদায়ী বা বিতর্কিত amount-কে নগদ প্রাপ্তির মতো ধরে বণ্টন করবেন না।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

না। Contract Act, 1872-এর ধারা ৩৭ এমন কোনো নিয়ম দেয় না; ধারাটির দৃষ্টান্তে মৃত পক্ষের প্রতিনিধিদের কাছে চুক্তিগত দায়-অধিকার যাওয়ার কথা আছে।
হ্যাঁ। আদায় না হলেও এটি মৃত ব্যক্তির সম্পদ হিসেবে তরিকার তালিকায় আসে।
লিখিত চুক্তি, চেক বা ব্যাংক লেনদেন, খুদে বার্তা বা অন্য লিখিত যোগাযোগ এবং সাক্ষ্য।
এককভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব ওয়ারিশকে জানিয়ে প্রমাণ গুছিয়ে আইনি পরামর্শ নিন।
বাকি সম্পদের ভাগ এগিয়ে নিয়ে অনাদায়ী পাওনাটি আলাদা করে লিখিতভাবে রেখে দেওয়া ব্যবহারিক পথ।
তখন তাঁর প্রাপ্য অংশের সঙ্গে পাওনাটি সমন্বয় করার প্রশ্ন আসে; হিসাবটি লিখিতভাবে সবাইকে দেখিয়ে করুন।

আরও দেখুন