বাংলাদেশে ফারায়েজ নিয়ে যত প্রশ্ন আসে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি এই একটি জায়গায় — “আমার ভাই নেই, আমরা শুধু এক বোন; তাহলে বাবার সব সম্পত্তি কি আমারই?” অনেকে ধরে নেন উত্তর “হ্যাঁ”। আবার অনেক পরিবারে উল্টোটা ঘটে — মেয়েকে বলা হয়, “তুমি তো মেয়ে, চাচারাই সব পাবে।” দুটোই সাধারণত ভুল।

সঠিক নিয়মটি একটু ধাপে ধাপে বোঝা দরকার, কারণ এখানে দুটি আলাদা ধাপ কাজ করে: প্রথমে নির্দিষ্ট অংশ (আরবিতে ফরজ বা যবিল ফুরুদ), তারপর অবশিষ্ট অংশ (আসাবা)। এক মেয়ের ক্ষেত্রে কে শেষ পর্যন্ত কত পাবেন, তা নির্ভর করে পরিবারে আর কে কে বেঁচে আছেন তার উপর। এই লেখায় হানাফি মাযহাব অনুযায়ী পুরো হিসাবটি বাস্তব উদাহরণ ও টেবিলসহ দেখানো হলো।

কুরআনে মেয়ের অংশ কী বলা হয়েছে

সূরা আন-নিসার ১১ নম্বর আয়াতে সন্তানদের অংশ সরাসরি বলা হয়েছে। তিনটি অবস্থা আলাদা করে উল্লেখ আছে:

  • ছেলে ও মেয়ে দুজনই থাকলে — ছেলে পাবে মেয়ের দ্বিগুণ;
  • মেয়ে দুই বা তার বেশি হলে (ছেলে না থাকলে) — তারা সবাই মিলে পাবে দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩);
  • মেয়ে যদি একজনই হয় — সে পাবে অর্ধেক (১/২)

একই আয়াতে আরও বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকলে তাঁর বাবা ও মা প্রত্যেকে পাবেন এক-ষষ্ঠাংশ (১/৬)। আর সূরা নিসার ১২ নম্বর আয়াতে স্ত্রীর অংশ — সন্তান থাকলে এক-অষ্টমাংশ (১/৮) — নির্ধারিত হয়েছে। মেয়ে যেহেতু “সন্তান”, তাই এক মেয়ে থাকলেও স্ত্রী ১/৮-ই পান, ১/৪ নয়। স্বামী-স্ত্রীর অংশ নিয়ে বিস্তারিত জানতে স্বামী মারা গেলে স্ত্রী কত অংশ পাবেন লেখাটি দেখতে পারেন।

লক্ষ করুন, কুরআন মেয়ের জন্য অর্ধেক নির্দিষ্ট করেছে — “সবটুকু” বলেনি। অর্ধেকের বেশি মেয়ে পেতে পারেন, তবে সেটি অন্য একটি নিয়মে (রদ্দ), সরাসরি নির্দিষ্ট অংশ হিসেবে নয়। এই পার্থক্যটাই বেশিরভাগ ভুলের মূল।

মেয়ে কেন “আসাবা” নয়

ফারায়েজে ওয়ারিশরা মোটা দাগে দুই ভাগে পড়েন। এক দল পান আগে থেকে নির্ধারিত ভগ্নাংশ — যেমন স্ত্রীর ১/৮, মায়ের ১/৬, এক মেয়ের ১/২। আরেক দল নির্দিষ্ট কিছু পান না; সবার অংশ দেওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা তাঁরা নেন। এই দ্বিতীয় দলকেই বলা হয় আসাবা।

ছেলে সন্তান আসাবা — তাই ছেলে থাকলে মেয়ে আর নির্দিষ্ট ১/২ পান না, বরং ভাইয়ের সঙ্গে ১:২ অনুপাতে অবশিষ্ট ভাগ করে নেন, এবং তখন সাধারণত দুজনে মিলে প্রায় পুরো সম্পত্তিই পেয়ে যান। কিন্তু ছেলে না থাকলে মেয়ে একা আসাবা হতে পারেন না। ফলে তাঁর ১/২ দেওয়ার পর যে অর্ধেক পড়ে থাকে, সেটি খুঁজতে হয় পরবর্তী আসাবার মধ্যে। ছেলে-মেয়ে দুজনই থাকলে হিসাব কেমন হয়, তা বিস্তারিত আছে মেয়ে বাবার সম্পত্তিতে কতটুকু পাবে লেখায়।

আসাবাদের ক্রম সংক্ষেপে এমন: পুত্র ও পুত্রের পুত্র → পিতা → দাদা → সহোদর ভাই → বৈমাত্রেয় ভাই → ভাইয়ের ছেলে → চাচা → চাচার ছেলে। উপরের কেউ থাকলে নিচের কেউ কিছুই পান না। যেমন বাবা বেঁচে থাকলে ভাই-বোন বাদ পড়ে যান — এর কারণ ব্যাখ্যা করা আছে বাবা বেঁচে থাকলে ভাই-বোন কি সম্পত্তি পাবে লেখায়।

আপনার নিজের পরিবারের হিসাব করুন

নিজের পরিবারের ওয়ারিশ বসিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সঠিক ভাগ দেখতে চান?

উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরে হিসাব করুন →

উদাহরণ ১: স্ত্রী, এক মেয়ে, বাবা ও মা জীবিত

ধরা যাক করিম সাহেব মারা গেছেন। তিনি রেখে গেছেন স্ত্রী, একটি মেয়ে, নিজের বাবা ও মা। দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধের পর বণ্টনযোগ্য সম্পত্তি ২৪ লাখ টাকা। এই দাফন-কাফনের খরচ কার দায়িত্ব ও কতটুকু ধরা যায়, বিস্তারিত আছে দাফন-কাফনের খরচ কে দেবে লেখায়।

ধাপে ধাপে:

  1. স্ত্রী — সন্তান আছে, তাই ১/৮।
  2. মেয়ে — একজনই, তাই ১/২।
  3. মা — সন্তান আছে, তাই ১/৬।
  4. বাবা — সন্তান আছে, তাই নির্দিষ্ট ১/৬। কিন্তু বাবা একই সঙ্গে আসাবাও, তাই অবশিষ্ট থাকলে সেটিও তিনি পান।

সবগুলো ভগ্নাংশকে ২৪-এর হরে আনলে: ১/৮ = ৩/২৪, ১/২ = ১২/২৪, ১/৬ = ৪/২৪, ১/৬ = ৪/২৪। যোগ করলে ৩+১২+৪+৪ = ২৩ ভাগ। অর্থাৎ ২৪ ভাগের ১ ভাগ অবশিষ্ট থাকে, যা আসাবা হিসেবে বাবা পান।

ওয়ারিশভিত্তিঅংশ২৪ লাখ টাকায়
স্ত্রীনির্দিষ্ট ১/৮৩/২৪৩,০০,০০০
মেয়েনির্দিষ্ট ১/২১২/২৪১২,০০,০০০
মানির্দিষ্ট ১/৬৪/২৪৪,০০,০০০
বাবা১/৬ + অবশিষ্ট ১/২৪৫/২৪৫,০০,০০০
মোট২৪/২৪২৪,০০,০০০

এখানে মেয়ে পেলেন ৫০%, পুরোটা নয় — অথচ পরিবারে কোনো ছেলে নেই।

উদাহরণ ২: স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক সহোদর ভাই

এবার ধরা যাক মৃত ব্যক্তির বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। রেখে গেছেন স্ত্রী, এক মেয়ে এবং নিজের এক সহোদর ভাই। সম্পত্তি ৮০ লাখ টাকা।

ওয়ারিশভিত্তিঅংশ৮০ লাখ টাকায়
স্ত্রীনির্দিষ্ট ১/৮১/৮১০,০০,০০০
মেয়েনির্দিষ্ট ১/২৪/৮৪০,০০,০০০
সহোদর ভাইআসাবা — অবশিষ্ট৩/৮৩০,০০,০০০
মোট৮/৮৮০,০০,০০০

এই ফলাফলটিই পরিবারে সবচেয়ে বেশি অসন্তোষ তৈরি করে — মৃত ব্যক্তির ভাই, অর্থাৎ মেয়ের চাচা, এখানে ৩০ লাখ টাকা পাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে, ভাই এখানে পাচ্ছেন কারণ মৃত ব্যক্তির বাবা ও কোনো পুত্র/পৌত্র কেউ বেঁচে নেই। কখন ভাই পান আর কখন পান না, তার পূর্ণ ব্যাখ্যা আছে ছেলে না থাকলে ভাই কি সম্পত্তি পাবে লেখায়।

উদাহরণ ৩: এক মেয়ে ও মা — আর কেউ নেই (রদ্দ)

এবার সেই অবস্থা, যেখানে মেয়ে সত্যিই প্রায় পুরোটা পান। ধরা যাক মৃত ব্যক্তির স্ত্রী আগেই মারা গেছেন, বাবা নেই, কোনো ভাই-বোন বা চাচা-চাচাতো ভাই কেউ জীবিত নেই। আছেন শুধু এক মেয়ে ও মা। সম্পত্তি ৪০ লাখ টাকা।

প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট অংশ: মেয়ে ১/২ = ৩/৬, মা ১/৬ = ১/৬। মোট ৪/৬। অবশিষ্ট থাকল ২/৬। কিন্তু নেওয়ার মতো কোনো আসাবা নেই।

এ অবস্থায় হানাফি মাযহাবে প্রযোজ্য হয় রদ্দ — অবশিষ্ট অংশ নির্দিষ্ট অংশীদারদের কাছেই তাঁদের অংশের অনুপাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এখানে অনুপাত ৩ : ১।

ওয়ারিশনির্দিষ্ট অংশরদ্দের পর৪০ লাখ টাকায়
মেয়ে৩/৬৩/৪৩০,০০,০০০
মা১/৬১/৪১০,০০,০০০
মোট৪/৬৪/৪৪০,০০,০০০

আর যদি মা-ও না থাকেন এবং একমাত্র ওয়ারিশ হন সেই এক মেয়ে, তখন ১/২ নির্দিষ্ট অংশ এবং বাকি ১/২ রদ্দ হিসেবে — দুই মিলিয়ে পুরো সম্পত্তিই তিনি পাবেন। অর্থাৎ “এক মেয়ে সব পায়” কথাটি একেবারে ভুল নয়, তবে তা কেবল এই বিশেষ অবস্থাতেই সত্যি।

একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম: স্বামী বা স্ত্রী রদ্দ পান না। তাই স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকলে স্ত্রী ১/৮-ই পাবেন, বাকি ৭/৮ রদ্দসহ মেয়ে পাবেন — যদি আর কোনো আসাবা না থাকেন।

উদাহরণ ৪: এক মেয়ে ও পুত্রের মেয়ে (নাতনি) একসঙ্গে

মৃত ব্যক্তির এক মেয়ে জীবিত, আর আগে মারা যাওয়া ছেলের ঘরে এক নাতনি আছেন, সঙ্গে আছেন এক সহোদর ভাই। নিয়ম হলো — মেয়ে পান ১/২, আর পুত্রের মেয়ে পান ১/৬, যাতে মেয়েদের মোট অংশ দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) পূর্ণ হয়। বাকিটা যায় আসাবার কাছে।

ওয়ারিশভিত্তিঅংশ
মেয়েনির্দিষ্ট ১/২৩/৬
পুত্রের মেয়ে (নাতনি)২/৩ পূর্ণ করতে ১/৬১/৬
সহোদর ভাইআসাবা — অবশিষ্ট২/৬
মোট৬/৬

তবে যদি মৃত ব্যক্তির দুই বা তার বেশি মেয়ে থাকেন, তাঁরা মিলেই ২/৩ পূরণ করে ফেলেন — তখন পুত্রের মেয়ে সাধারণত কিছুই পান না (যদি না তাঁর সঙ্গে সমপর্যায়ের কোনো পুত্রের ছেলে থাকেন)। আর বাবার আগে মারা যাওয়া সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৪ ধারা আলাদা সুরক্ষা দেয়, যা বিস্তারিত আছে দাদার সম্পত্তিতে এতিম নাতি-নাতনির অংশ লেখায়।

আপনার নিজের পরিবারের হিসাব করুন

আপনার পরিবারে কে কে জীবিত আছেন বসিয়ে দিন — রদ্দসহ সম্পূর্ণ হিসাব এক ক্লিকে।

এখনই হিসাব করুন →

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  1. “এক মেয়ে মানেই পুরো সম্পত্তি” ধরে নেওয়া। তাঁর নির্দিষ্ট অংশ ১/২। পুরোটা তিনি তখনই পান, যখন আসাবা শ্রেণির কেউ জীবিত নেই এবং অন্য কোনো অংশীদারও নেই।
  2. “মেয়ে বলে কিছুই পাবে না” বলা। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মেয়ের ১/২ কুরআনে নির্ধারিত, কোনো ওয়ারিশ তা কমাতে পারেন না।
  3. বাবা-মায়ের ১/৬ বাদ দেওয়া। মৃত ব্যক্তির বাবা বা মা জীবিত থাকলে তাঁদের অংশ আগে দিতে হবে — অনেক পরিবারে এটি ভুলে যাওয়া হয়।
  4. চাচার অংশ নিয়ে ভুল ধারণা। মৃত ব্যক্তির বাবা বা কোনো পুত্র/পৌত্র জীবিত থাকলে ভাই বা চাচা কিছুই পান না। আবার তাঁরা না থাকলে ভাই-চাচা সত্যিই অবশিষ্ট অংশ পান — এটি অপছন্দ হলেও নিয়ম।
  5. দাফন খরচ ও ঋণ বাদ না দিয়ে ভাগ শুরু করা। বণ্টনের আগে চারটি ধাপ শেষ করতে হয়; দেখুন মৃত ব্যক্তির ঋণ থাকলে সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে
  6. মেয়েকে “রাজি করিয়ে” অংশ থেকে বাদ দেওয়া। ওয়ারিশ স্বেচ্ছায় নিজের প্রাপ্ত অংশ পাওয়ার পর তা দান করতে পারেন, কিন্তু বণ্টনের হিসাব থেকে তাঁকে মুছে ফেলা যায় না।
  7. রদ্দের সময় স্বামী/স্ত্রীকেও অনুপাতে ধরা। রদ্দে স্বামী-স্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হন না — এটি বাদ দিলে হিসাব ভুল হয়ে যায়।

মতভেদ কোথায়

রদ্দ নিয়ে ফিকহে মতভেদ রয়েছে। হানাফি মাযহাবসহ অধিকাংশ মতে, আসাবা না থাকলে অবশিষ্ট অংশ নির্দিষ্ট অংশীদারদের কাছে অনুপাতে ফিরে যায় — বাংলাদেশের আদালতেও এই নিয়মই অনুসরণ করা হয়। অন্যদিকে একটি প্রাচীন মত (ইমাম যায়েদ ইবনে সাবিত রা.-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত) বলে, অবশিষ্ট অংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (বাইতুল মাল) যাবে, রদ্দ হবে না। বাস্তবে বাংলাদেশে প্রথম মতটিই কার্যকর।

এছাড়া যবিল আরহাম (যেমন মেয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, নানা) কখন উত্তরাধিকার পাবেন তা নিয়েও মতপার্থক্য আছে; হানাফি মতে নির্দিষ্ট অংশীদার ও আসাবা কেউ না থাকলে তাঁরা পান।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

মৃত ব্যক্তির বাবা, পুত্র বা পুত্রের পুত্র কেউ জীবিত না থাকলে এবং সহোদর বা বৈমাত্রেয় ভাই বা ভাইয়ের ছেলে না থাকলে, চাচা আসাবা হিসেবে অবশিষ্ট অংশ পাবেন। উপরের ক্রমে কেউ থাকলে চাচা কিছুই পাবেন না।
ছেলে থাকলে মেয়ে আর ১/২ পান না। তখন অন্য অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ২:১ অনুপাতে ভাগ হয়।
মেয়ের স্বামী কখনোই শ্বশুরের ওয়ারিশ নন। মেয়ের ছেলে (নাতি) সাধারণত ওয়ারিশ নন; তবে নির্দিষ্ট অংশীদার ও আসাবা কেউ না থাকলে তিনি যবিল আরহাম হিসেবে পেতে পারেন।
জীবিত অবস্থায় করা হেবা বা দান ফারায়েজের নিয়মে পড়ে না — শর্ত পূরণ হলে তা বৈধ। তবে মৃত্যুশয্যায় করা দানের ক্ষেত্রে আলাদা সীমা প্রযোজ্য।
না। ১/৪ পাওয়া যায় কেবল সন্তান না থাকলে। মেয়েও সন্তান, তাই স্ত্রী ১/৮ পাবেন।
প্রথমে ফারায়েজ অনুযায়ী কার কত প্রাপ্য তা নির্ধারণ করতে হবে। এরপর কোনো ওয়ারিশ চাইলে নিজের প্রাপ্ত অংশ অন্যকে দিতে পারেন — সেটি তাঁর স্বেচ্ছাদান, বণ্টনের নিয়ম পরিবর্তন নয়।
সম্পত্তির মোট মূল্য নির্ধারণ করে ভগ্নাংশ অনুযায়ী মূল্য হিসাবে পরিশোধ করা যায়, অথবা বিক্রি করে টাকা ভাগ করা যায় — অংশের অনুপাত অপরিবর্তিত থাকবে।

সম্পর্কিত লেখা

বি.দ্র. এই লেখাটি হানাফি মাযহাব ও বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ভিত্তিতে সাধারণ তথ্য হিসেবে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত সম্পত্তি বণ্টনের আগে সব ওয়ারিশের তালিকা, ঋণ, ওসিয়ত ও কাগজপত্র মিলিয়ে একজন যোগ্য আলেম এবং প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।