যে ক্রমটি সবকিছু ঠিক করে দেয়

একজন মানুষ মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি ওয়ারিশদের হয়ে যায় না। ফারায়েজের ভাগ শুরু হওয়ার আগে ওই সম্পত্তির উপর চারটি দাবি ধাপে ধাপে আদায় হয়। ক্রমটি এলোমেলো করা যায় না — একটি ধাপ আগে-পরে হলে সব ওয়ারিশের অংশই বদলে যায়।

ধাপকী আদায় হয়সীমা
দাফন-কাফনের খরচপ্রয়োজনীয় ও মধ্যম মান পর্যন্ত
মৃত ব্যক্তির সব ঋণ (অপরিশোধিত দেনমোহরসহ)সম্পত্তি যতদূর কুলায়
ওসিয়তধাপ ১ ও ২ বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্টের সর্বোচ্চ ১/৩
ওয়ারিশদের মধ্যে ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টনযা অবশিষ্ট থাকে তার পুরোটা

অর্থাৎ দাফন-কাফনের খরচ সবার আগে, এমনকি ঋণ পরিশোধেরও আগে। হানাফিসহ জমহুর ফুকাহা এই ক্রমই বলেন, কারণ মৃত ব্যক্তির দেহের সম্মান ও দাফন তাঁর সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন। ঋণ, ওসিয়ত ও বণ্টনের পরের ধাপগুলো বিস্তারিত দেখুন মৃত ব্যক্তির ঋণ থাকলে সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে লেখায়।

খরচ কার পকেট থেকে যাবে

এখানে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি হয়। মনে রাখুন তিনটি স্তর:

  • প্রথমত — মৃত ব্যক্তির নিজের সম্পত্তি থেকে। তাঁর নগদ টাকা, ব্যাংকের জমা, জমি বা যেকোনো সম্পদ থাকলে খরচটি সেখান থেকেই যাবে। ছেলেমেয়েদের নিজের পকেট থেকে দেওয়া আবশ্যক নয়।
  • দ্বিতীয়ত — সম্পত্তি না থাকলে, যাঁর উপর ভরণপোষণের দায়িত্ব ছিল। জীবদ্দশায় যিনি তাঁর ভরণপোষণের দায়িত্বে ছিলেন, খরচের দায়িত্বও প্রথমে তাঁর উপর বর্তায়।
  • তৃতীয়ত — সমাজের উপর ফরজে কিফায়া। এমন কেউ না থাকলে বা কারও সামর্থ্য না থাকলে মুসলিম সমাজের দায়িত্ব দাফনের ব্যবস্থা করা। কেউ আদায় করলে সবাই দায়মুক্ত, কেউ না করলে সবাই দায়ী।
বাস্তব পরামর্শ। অনেক পরিবারে বড় ছেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের টাকায় সব খরচ করেন, পরে যখন সম্পত্তি ভাগের সময় আসে তখন "আমি তো এত খরচ করেছি" বলে দাবি তোলেন এবং বিরোধ বাধে। এটি এড়ানোর একটিই উপায় — খরচ করার আগেই অন্য ওয়ারিশদের জানিয়ে রাখা যে এটি সম্পত্তি থেকে সমন্বয় হবে, এবং প্রতিটি খরচের রসিদ রেখে দেওয়া। আর কেউ যদি নিছক সওয়াবের নিয়তে নিজের পক্ষ থেকে দিতে চান, তা তখনই বলে দেওয়া ভালো।

কোন খরচ ধরা যাবে, কোনটি নয়

যা সাধারণত ধরা যায়যা সম্পত্তি থেকে নেওয়া যায় না
কাফনের কাপড় (পুরুষের সাধারণত তিন, নারীর পাঁচ কাপড়)কুলখানি, চল্লিশা বা মেজবানের আয়োজন
গোসল, সুগন্ধি ও কাফন প্রস্তুতির ব্যয়শোকসভা ও আপ্যায়নের খরচ
মরদেহ বহন ও প্রয়োজনে পরিবহনের খরচজাঁকজমকপূর্ণ কবর নির্মাণ বা দামি ফলক
কবর খনন ও গোরস্থানের নির্ধারিত ফিপ্রথাগত উপহার বা ভেট বিতরণ
প্রয়োজনীয় সরকারি কাগজপত্রের ফিপ্রয়োজনের অতিরিক্ত বিলাসী কাফন

ডান পাশের খরচগুলো করা নিষিদ্ধ নয় — কেউ নিজের টাকায় করতে চাইলে করতে পারেন। কিন্তু সেগুলো মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে নেওয়া যায় না, কারণ মৃত্যুর মুহূর্ত থেকেই সেই সম্পত্তির মালিক ওয়ারিশরা। প্রাপ্তবয়স্ক সব ওয়ারিশ স্বেচ্ছায় সম্মতি দিলে ভিন্ন কথা। তবে ওয়ারিশদের মধ্যে নাবালেগ কেউ থাকলে তাঁর অংশ থেকে এক টাকাও নেওয়া যাবে না — তিনি সম্মতি দেওয়ার যোগ্যই নন, এবং এতিমের সম্পদ ভক্ষণ সম্পর্কে কোরআনে কঠোর সতর্কবাণী রয়েছে (সূরা নিসা, আয়াত ১০)।

কাফন কতটা দামি হবে

সুন্নাহ হলো মধ্যম মানের কাফন — মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় সাধারণত যেমন পোশাক পরতেন, সেই মানের। হাদিসে কাফনকে উত্তম ও পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ এসেছে, কিন্তু অপচয়ের অনুমতি আসেনি। বিশেষত মৃত ব্যক্তির ঋণ অপরিশোধিত থাকলে দামি কাফনে অর্থ ব্যয় করা ঠিক নয়, কারণ ঋণের দায়ভার মৃত ব্যক্তির উপরই বর্তায়।

উদাহরণসহ পূর্ণ হিসাব

আবদুল হক সাহেব মারা গেছেন। তিনি রেখে গেছেন মোট ৩০,০০,০০০ টাকার সম্পত্তি। ওয়ারিশ — স্ত্রী, দুই ছেলে ও মা। হিসাব ধাপে ধাপে করা যাক।

ধাপ ১ — দাফন-কাফন: ৮০,০০০ টাকা। অবশিষ্ট ২৯,২০,০০০ টাকা।

ধাপ ২ — ঋণ: এক আত্মীয়ের কাছে ৩,২০,০০০ টাকা ঋণ ছিল। শোধের পর অবশিষ্ট ২৬,০০,০০০ টাকা।

ধাপ ৩ — ওসিয়ত: তিনি মাদ্রাসার জন্য ২,০০,০০০ টাকা ওসিয়ত করে গেছেন। সীমা যাচাই করুন — ২৬,০০,০০০-এর এক-তৃতীয়াংশ = ৮,৬৬,৬৬৭ টাকা, অর্থাৎ ২ লাখ সীমার মধ্যে, পুরোটাই কার্যকর। অবশিষ্ট ২৪,০০,০০০ টাকা।

ধাপ ৪ — ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টন: সন্তান থাকায় স্ত্রী ১/৮, মা ১/৬ এবং অবশিষ্ট অংশ দুই ছেলে সমান ভাগে আসাবা হিসেবে পাবেন। সব ভগ্নাংশকে ২৪-এর হরে আনলে — স্ত্রী ৩/২৪, মা ৪/২৪, বাকি ১৭/২৪ দুই ছেলের।

ওয়ারিশভিত্তিঅংশ২৪ লাখ টাকায়
স্ত্রীনির্দিষ্ট ১/৮৩/২৪৩,০০,০০০
মানির্দিষ্ট ১/৬৪/২৪৪,০০,০০০
প্রথম ছেলেআসাবা — অবশিষ্টের অর্ধেক৮.৫/২৪৮,৫০,০০০
দ্বিতীয় ছেলেআসাবা — অবশিষ্টের অর্ধেক৮.৫/২৪৮,৫০,০০০
মোট২৪/২৪ = ১২৪,০০,০০০

এখন পুরো হিসাবটি মিলিয়ে দেখুন: দাফন ০.৮০ + ঋণ ৩.২০ + ওসিয়ত ২.০০ + স্ত্রী ৩.০০ + মা ৪.০০ + প্রথম ছেলে ৮.৫০ + দ্বিতীয় ছেলে ৮.৫০ = ৩০.০০ লাখ টাকা। যোগফল মূল সম্পত্তির সমান হলেই বুঝবেন কোনো ধাপ বাদ পড়েনি।

দাফন, ঋণ ও ওসিয়তসহ পুরো হিসাব করুন

মোট সম্পত্তি, দাফনের খরচ, ঋণ ও ওসিয়তের পরিমাণ দিন — ক্যালকুলেটর প্রতিটি ধাপ আলাদা করে দেখিয়ে চূড়ান্ত বণ্টন বের করে দেবে।

ফ্রি ক্যালকুলেটর খুলুন →

ক্রম উল্টে গেলে কী হয় — একটি সতর্কতা

ধরুন কেউ আগে ওসিয়তের এক-তৃতীয়াংশ বের করলেন, তারপর দাফন ও ঋণ বাদ দিলেন। উপরের উদাহরণে তাহলে ওসিয়তের সীমা দাঁড়াত ৩০ লাখের ১/৩ = ১০ লাখ টাকা, অথচ প্রকৃত সীমা ৮,৬৬,৬৬৭ টাকা। পার্থক্যটি সরাসরি ওয়ারিশদের পকেট থেকে যায়। তাই সবসময় আগে বাদ দিন, তারপর ভাগ করুন — এই একটি বাক্য মনে রাখলে বেশিরভাগ ভুল এড়ানো যায়। ওসিয়তের সীমা কীভাবে বের করতে হয় তা বিস্তারিত দেখুন ওসিয়ত কতটুকু করা যায় লেখায়।

আরেকটি উদাহরণ — ছেলে-মেয়ে দুই-ই আছেন

একই নিয়ম একটু ভিন্ন পরিবারে কেমন দাঁড়ায় দেখুন। ওয়ারিশ — স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও মা। দাফন, ঋণ ও ওসিয়ত বাদ দেওয়ার পর বণ্টনযোগ্য সম্পত্তি যা থাকবে, তার উপর নিচের অনুপাত প্রযোজ্য হবে।

এখানেও স্ত্রী ১/৮ ও মা ১/৬ নির্দিষ্ট অংশ পাচ্ছেন, আর অবশিষ্ট ১৭/২৪ অংশ সন্তানদের মধ্যে ২ঃ১ঃ১ অনুপাতে ভাগ হচ্ছে। সন্তানদের এই অনুপাতের ব্যাখ্যা দেখুন ছেলে ও মেয়ের অংশ ২ঃ১ কেন লেখায়।

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  • আগে ভাগ করে পরে খরচ বাদ দেওয়া। ক্রম উল্টে গেলে ওসিয়তের সীমা ও প্রত্যেকের অংশ — দুটোই ভুল হয়।
  • কুলখানি-চল্লিশার খরচ সম্পত্তি থেকে নেওয়া। এগুলো দাফন-কাফনের অপরিহার্য খরচ নয়; সব ওয়ারিশের সম্মতি ছাড়া নেওয়া যায় না, আর নাবালেগ ওয়ারিশের অংশ থেকে কখনোই নয়।
  • এক ওয়ারিশের খরচকে ঋণ বানিয়ে দাবি তোলা। আগে না জানিয়ে খরচ করে পরে দাবি করলে বিরোধ অনিবার্য। আগেই আলোচনা ও রসিদ — এই দুটিই সমাধান।
  • ঋণ অপরিশোধিত রেখে দামি কাফন ও বড় আয়োজন। ঋণের দায় মৃত ব্যক্তির উপর থাকে; অপচয় সেই দায় বাড়ায় বৈ কমায় না।
  • বীমা বা নমিনির টাকা পুরোটা এক ওয়ারিশের ধরে নেওয়া। নমিনি টাকা গ্রহণের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি মাত্র; মালিকানা নির্ধারিত হয় ফারায়েজ অনুযায়ী।
  • খরচের হিসাব না রাখা। কত খরচ হয়েছে তার লিখিত হিসাব না থাকলে বছরখানেক পর বণ্টনের সময় কেউই আর মেলাতে পারেন না।

মতভেদ কোথায়

  • স্ত্রীর কাফনের খরচ কার উপর? হানাফি ফিকহের ভেতরেই দুই অভিমত রয়েছে। এক মত — ভরণপোষণের ধারাবাহিকতায় স্ত্রীর কাফনের ব্যয় স্বামীর দায়িত্ব। অন্য মত — স্ত্রীর নিজের সম্পত্তি থাকলে তা থেকেই যাবে, কারণ মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ভরণপোষণের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। পরিবারে বিরোধ এড়াতে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য মুফতির সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোনোই উত্তম।
  • বন্ধকী সম্পত্তি থাকলে ক্রম কী হবে? সাধারণ নিয়মে দাফনের খরচ ঋণের আগে। তবে কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা থাকলে সেই সম্পত্তির উপর ঋণদাতার অগ্রাধিকার নিয়ে ফুকাহাদের আলোচনা রয়েছে। এমন অবস্থায় নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলেম ও আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
  • খরচের "মধ্যম মান" কতটুকু? এটি স্থান, কাল ও মৃত ব্যক্তির অবস্থার সঙ্গে বদলায় বলে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক নির্ধারিত নেই। এলাকার প্রচলিত সাধারণ ব্যয়কেই মানদণ্ড ধরা হয়।

শেষ কথা

দাফন-কাফনের খরচ ফারায়েজের প্রথম ধাপ — কিন্তু এটি এমন একটি ধাপ যা সবচেয়ে বেশি অগোছালোভাবে সারা হয়, কারণ তখন পরিবার শোকে আচ্ছন্ন থাকে। একটিমাত্র অভ্যাস এই জটিলতা প্রায় পুরোটাই দূর করে দেয় — প্রথম দিন থেকেই একটি খাতায় প্রতিটি খরচ লিখে রাখা এবং রসিদ জমিয়ে রাখা। মাস ছয়েক পর যখন সম্পত্তি ভাগের আলোচনা শুরু হবে, ওই খাতাটিই পরিবারকে বহু তিক্ততা থেকে বাঁচাবে।

প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

হানাফিসহ জমহুর ফুকাহার মত অনুযায়ী দাফন-কাফনের খরচ সবার আগে, ঋণ পরিশোধেরও আগে কাটা হয়। কারণ দাফন মৃত ব্যক্তির অপরিহার্য প্রয়োজন। তবে কোনো সম্পত্তি ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা থাকলে সেটি নিয়ে আলাদা বিবেচনা আসে, তাই সেক্ষেত্রে আলেমের পরামর্শ নিন।
নিয়ম হলো খরচ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকেই যাবে, তাই কেউ সাময়িকভাবে নিজের টাকায় দিলে সেটি সম্পত্তি থেকে সমন্বয় করা যায়। তবে বিরোধ এড়াতে খরচ করার আগেই অন্য ওয়ারিশদের জানিয়ে রাখা এবং রসিদ সংরক্ষণ করা জরুরি। কেউ যদি সওয়াবের নিয়তে নিজের পক্ষ থেকে দিয়ে দেন, তবে তা তাঁর দান — ফেরত চাওয়ার বিষয় নয়।
মৃত্যুর পর সম্পত্তির মালিকানা ওয়ারিশদের কাছে চলে যায়, তাই দাফন-কাফনের প্রয়োজনীয় খরচের বাইরের আয়োজনের ব্যয় সব ওয়ারিশের সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি থেকে নেওয়া যায় না। ওয়ারিশদের মধ্যে নাবালেগ কেউ থাকলে তাঁর অংশ থেকে কোনোভাবেই নেওয়া যাবে না, কারণ তিনি সম্মতি দেওয়ার যোগ্য নন।
জীবদ্দশায় যাঁর উপর তাঁর ভরণপোষণের দায়িত্ব ছিল, খরচের দায়িত্ব প্রথমে তাঁর উপরই বর্তায়। এমন কেউ না থাকলে বা সামর্থ্য না থাকলে তা মুসলিম সমাজের উপর ফরজে কিফায়া — অর্থাৎ সমাজের কেউ না কেউ আদায় করলে সবাই দায়মুক্ত হন, কেউ না করলে সবাই দায়ী হন।
মধ্যম মানের, মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় সাধারণত যেমন পোশাক পরতেন সেই মানের হওয়াই সুন্নাহসম্মত। অতিরিক্ত দামি কাফন বা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন ইসলামে উৎসাহিত নয়, বিশেষত যখন তা ওয়ারিশদের প্রাপ্য কমিয়ে দেয় বা ঋণ অপরিশোধিত রেখে করা হয়।
এখানে হানাফি ফিকহের ভেতরেই দুটি মত আছে। এক মত অনুযায়ী ভরণপোষণের ধারাবাহিকতায় স্ত্রীর কাফনের খরচ স্বামীর দায়িত্ব; অন্য মত অনুযায়ী স্ত্রীর নিজের সম্পত্তি থাকলে সেখান থেকেই যাবে। পরিবারে বিরোধ এড়াতে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য মুফতির সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোনো ভালো।
ওসিয়তের এক-তৃতীয়াংশ সীমা মোট সম্পত্তির উপর নয়, বরং দাফন-কাফন ও ঋণ পরিশোধের পর যা অবশিষ্ট থাকে তার উপর হিসাব হয়। এই ক্রম উল্টে গেলে ওসিয়তের পরিমাণ বেশি দেখায় এবং ওয়ারিশদের অংশ কমে যায়।

সম্পর্কিত লেখা

বি.দ্র. এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের জন্য। প্রতিটি পরিবারের অবস্থা আলাদা এবং ছোট একটি তথ্যেও ফলাফল বদলে যেতে পারে। চূড়ান্ত বণ্টনের আগে একজন বিজ্ঞ আলেম ও অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।